পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা জেনারেল হাসপাতালের অভ্যন্তরে ওষুধের দোকান ও ক্যান্টিন বন্ধের ঘোষণাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হাসপাতালের সেবা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় পাবনা-৫ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্যের তোপের মুখে পড়েন হাসপাতালের কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও নার্সরা।
শিরোনাম
- ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষার্থীর
- * * * *
- সিলেটে এসএসসিতে কমেছে প্রায় ১৩ হাজার পরীক্ষার্থী
- * * * *
- জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধি হয়ে সংসদে যাচ্ছেন শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা
- * * * *
- চিংড়ির রেণু শিকারের নামে ধ্বংস হচ্ছে সামুদ্রিক প্রাণীর লার্ভা
- * * * *
- হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তালহা, সম্পাদক রাফিউল
- * * * *
পাবনা জেনারেল হাসপাতাল
পাবনায় করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৩৯ জন।
কয়েকদিন থেকে অসুস্থ বোধ করছিলেন মোঃ আব্দুস সালাম। শুক্রবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল কাম পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতলে কাম পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজন সংখ্যক চিকিৎসক সংকটের কারণে পাবনাবাসী কাঙ্খিতমানের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আর কতদিন পর পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কাম পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিনটি চালু হবে? উদ্বোধনের এক বছর পরও চালু করা যায়নি মেশিনটি।